ইত্তিজা মনির, বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলীর কড়ইবাড়িয়া বাজারের কিবরিয়া নামে এক গ্রাম ডাক্তার চিকিৎসা দিতে গিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে গ্রামবাসীর হাতে গনধোলাইয়ের স্বীকার হয়। গতকাল দুপুরে হেলেঞ্চাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীরা জানান হাতুড়ে ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া দুপুরে ১টার দিকে মরিয়ম নামের এক মহিলাকে প্রেসার মাপার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে যান। মরিয়মের স্বামী ঢাকাতে কাজ করেন। এই সুবাদে তাকে একা পেয়ে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয় বলে এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়।
পাশের বাড়ির মনোয়ারা বেগম জানান, কিবরিয়া একজন গ্রাম্য ডাক্তার। কড়ইবাড়িয়া বাজারে রিমাঞ্জ ফার্মেসী নামে একটা ঔষধের দোকান আছে। ওখানে বসেও অনেক নারীদের সাথে অবৈধ কাজ করে। কিবরিয়া ডাক্তার তার মটর সাইকেল মরিয়মের বাড়ি থেকে কিছু দূরে রেখে তার গৃৃহে প্রবেশ করে এবং মরিয়ম তাকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর পাশ্ববর্তী লোজনের সন্দেহ হলে মরিয়মের গৃহে গিয়ে হাতে নাতে ধরে ফেলেন এবং গণধোলাই দেয়।
কিবরিয়া ডাক্তার জানান, তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারধোর করা হয়েছে এবং তার মটর সাইকেল টি শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। এলাকার বেল্লাল জানান, মরিয়ম সম্পর্কে তার চাঁচি। দীর্ঘদিন ওই কিবরিয়া মরিয়মের ঘরে যাতায়াত করতো। কিবরিয়া ডাক্তারের স্বভাব চরিত্র ভালো নয়।
ইতিপূর্বেও এধরণের অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে তার আমতলীর ফার্মেসী ছেড়ে কড়ই বাড়িয়ায় আসে। সে বহু চিকিৎসার নামে বহু নারীর সম্ভ্রম নষ্ট করেছে বলে স্থানীয়রা জানান। মরিয়মের সাথে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য মোটা অংকের টাকাও দিতে এলাকার লোকজনের সাথে আলোচনা করেও ব্যর্থ হন।
এ ব্যাপারে মরিয়মের স্বামী ইব্রাহিম মিয়া বলেন আমি আইনী ব্যবস্থার দিকে যাব।