অসহায়ের পাশে শিল্পপতি শওকত হাসান মিঞা, রাজধানীতে গড়েছেন ‘জামালপুর টুইন টাওয়ার

রোকনুজ্জামান সবুজ,ইসলামপুর প্রতিনিধি

ঢাকায় জামালপুর জেলার অনেক শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তি বসবাস করেন। নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এসব ব্যক্তির অনেকেই বিভিন্ন সময়ে জেলার মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রেখেছেন। তবে জেলার সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন এস্যার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব শওকত হাসান মিঞা।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি মিঞা বাড়ির বাসিন্দা এই শিল্পপতি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়,দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে বিভিন্নভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন। তাঁর উদ্যোগে শওকত হাসান মিঞা উন্নয়ন কমিটির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় নগদ অর্থসহ নানা ধরনের সহযোগিতাও দেওয়া হয়েছে।

মানবিক সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠানে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, নিজ এলাকার মানুষের প্রতি নাড়ির টান ও দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি এসব জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছেন।
শুধু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই নয়, জামালপুর জেলার পরিচিতি ও মর্যাদা বৃদ্ধিতেও তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগের কথা আলোচনায় এসেছে। জেলার প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা থেকে রাজধানীর বারিধারা-গুলশান এলাকায় তিনি গড়ে তুলেছেন ‘জামালপুর টুইন টাওয়ার’। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাটি রাজধানীর বুকে জামালপুর জেলার একটি দৃশ্যমান পরিচয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

জেলার নাম ধারণকারী এই স্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীতে জামালপুরের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় আসা মানুষের কাছেও স্থাপনাটি জামালপুর জেলার নাম ও পরিচিতিকে নতুনভাবে তুলে ধরছে।

জামালপুরের মানুষের কল্যাণ,জেলার উন্নয়ন ও পরিচিতি বৃদ্ধি এবং নিজ এলাকার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে শওকত হাসান মিঞার এসব উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশেষ করে অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি রাজধানীর বুকে জেলার পরিচিতি তুলে ধরার উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জেলার অনেক বাসিন্দা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা,ভবিষ্যতেও তাঁর এসব জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে। তাঁর উদ্যোগগুলো জামালপুরের সামাজিক উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং জেলার ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। জেলার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য সংশ্লিষ্টরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *