সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনঃনিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন তপাদার

মোস্তাক আহমেদ মনির,সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ তালিকায় সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে পুনঃনিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফারুক হোসেন তপাদার।

এর আগে তিনি ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত হন। রাষ্ট্রের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে দায়িত্ব পালনের ধারাবাহিকতায় তিনি পুনরায় এ পদে নিয়োগ লাভ করেন।

ইসলামপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণকারী অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন তপাদার ২০১৩ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। দীর্ঘ আইনজীবী জীবনে তিনি সাংবিধানিক, দেওয়ানি, ফৌজদারি, ভূমি, প্রশাসনিক, ব্যাংকিং ও করপোরেট আইনসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে পেশাগত অঙ্গনে সুনাম অর্জন করেছেন।

তিনি পূর্বে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে সরকারপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন এবং রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করছেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন তপাদার বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। শিক্ষা সহায়তা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, ক্রীড়া কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ ওয়াকিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে স্বাস্থ্যসচেতনতা, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

আইন পেশায় দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তাঁর পুনঃনিয়োগে আইনজীবী মহল, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি ভবিষ্যতেও রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *