মোঃ আলিফ,স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ৩নং মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। বিশেষ করে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন জননন্দিত জননেতা এবং মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম তালুকদার (রুনু)। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার সমর্থনে এখন মুখরিত পুরো ইউনিয়ন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে গণমানুষের নেতা
নূরে আলম তালুকদার রুনুর রাজনৈতিক পথচলা শুরু ছাত্রজীবন থেকে। তিনি মেলান্দহ সরকারি কলেজ ও সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সাবেক সফল জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে ছাত্রদের অধিকার আদায়ে তাঁর ভূমিকা আজও স্মরণীয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় তিনি এখন মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির অন্যতম বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী কাণ্ডারি।
আস্থার প্রতীক ও সততার পরিচয়
এলাকাবাসীর মতে, রুনু তালুকদার কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের বিশ্বস্ত ও আস্থার প্রতীক। তাঁর সততা, শিক্ষা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান তাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ এক ভোটার বলেন,
”আমরা এমন একজন নেতা চাই যাকে বিপদে পাশে পাওয়া যায়। নূরে আলম তালুকদার তেমনই একজন মানুষ। তিনি শিক্ষিত এবং কর্মঠ, যা একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার জন্য প্রয়োজন।”
নির্বাচনী লক্ষ্য ও অঙ্গীকার
৩নং মাহমুদপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের
প্রধান দিকগুলো হলো:
ইউনিয়নের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তি বজায় রাখা।
জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদ গঠন।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা।
শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারা বেগবান করা।
বিপুল জনসমর্থন
নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের যে ভালোবাসা তিনি পাচ্ছেন, তাতে আগামী নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে তাঁর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
ইউনিয়নবাসী মনে করছেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নূরে আলম তালুকদার রুনুর মতো একজন যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, ব্যালটের মাধ্যমেই মাহমুদপুরবাসী তাদের প্রিয় নেতাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।