মোঃ আলমগীর, জামালপুর প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয়বার্ষিকী এবং গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে ১১দলীয় ঐক্যের সদর ও শহর শাখার উদ্যোগে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে শহরের পিটিআই মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াতে ইসলামী শহর শাখার আমীর অধ্যাপক আল ইমরান সুজনের সভাপতিত্বে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম নেতা ও জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, আজকের দিনে শেখের বেটি পালায় না খ্যাত’ ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচার শাসক হাসিনা, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভয় পেয়ে জীবন বাঁচাতে কার্গো বিমানে করে বাংলাদেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পলায়ন করেছিলেন। আজও যদি কেউ স্বৈরাচার হইতে চায় তাদের পরিণতীও একই হবে। বিএনপি গণভোটের জনরায় বাস্তবায়ন না করে ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করছে। এই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলার মানুষ কি পরিমান খুশি হয়েছিল, এখন আছে কিনা এটি আমাদের বেদনা। আমরা আশা করেছিলাম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া
গণভোটের জনরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
জামায়াতে ইসলামী সদর উপজেলা শাখার সেক্রেটারী রেজাউল করিম নোমানের সঞ্চালনায় গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ১১দলীয় ঐক্যের জেলা শাখার সদস্য সচিব ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আইনজীবী আব্দুল আওয়াল, জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল হক জামালী,
কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা কুদরতে খোদা, সদর উপজেলার আমীর মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম, সদর উপজেলার নায়েবে আমীর মাওলানা আজহারুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল রহমান ওমর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা শাখার সেক্রেটারি মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলীম, এনসিপি জেলা শাখার সহ-সমন্বয়ক শাহ খলিলুর রহমান, এনসিপি সদর উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক আরাফাত হোসেন শাকিল, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান সবুজ, ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক শামস উদ্দিন সোলাইমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি খন্দকার ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে এক গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলায় গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশ ও গণমিছিলে ১১ দলীয় ঐক্যের জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১১দলের অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।