ইসলামপুর প্রতিনিধি

তৃণমূলের জনপ্রিয় নেতা চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির বলিষ্ঠ সদস্য এবং ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস-এর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই মহলটি এলাকায় বিভিন্ন ভিত্তিহীন প্রবাদ ও গুজব ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রের জানায়ায়, আব্দুল কুদ্দুস দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ইউনিয়ন বিএনপির যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে তার অবস্থান শক্তিশালী হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা উন্নয়ন ও সেবার পথে বাধা সৃষ্টি করতে অপতৎপরতা শুরু করেছে। তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী।
এ বিষয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমি শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে জনসেবাকে ব্রত হিসেবে নিয়েছি। একটি কুচক্রী মহলের কাজই হলো পেছনে কাদা ছোড়া। কিন্তু তারা জানে না জনগণের ভালোবাসা আর সমর্থন থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হয় না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই মিথ্যার বেসাতি ছড়িয়ে উন্নয়নের জোয়ার থামানো যাবে না। আমার নিজ উদ্যোগে এলাকার মানুষের অধিকার আদায়ে পিছপা হব না।
তিনি আরো বলেন,তারা আমার জনপ্রিয়তা দেখে ভয় পেয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—ষড়যন্ত্র করে,কুৎসা রটিয়ে আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। এলাকার জনগণের দোয়া ও ভালোবাসা আমার সাথে আছে।
চরপুটিমারী ইউনিয়নের যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছামিদুল ইসলাম সানি ও ওয়ার্ডের সভাপতি ফজলুহক সহ নেতাকর্মীরা জানান,আব্দুল কুদ্দুস একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা। যারা তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে তারা মূলত এলাকার উন্নয়ন বিরোধী। এসব ষড়যন্ত্রের জবাব আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে দিতে সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ আছে।
এলাকায় বয়োজ্যেষ্ঠ আতাহার শেখ বলেন,আব্দুল কুদ্দুসের মতো সৎ ও সাহসী প্রার্থী মেম্বার নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। কুচক্রী মহলের বিষোদ্গার তাকে জনগণের হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে পারবে না,বরং তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলছে।
ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিব বলেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে কাদা ছোড়াছুড়ি কারো জন্যই মঙ্গল জনক নয়। কুদ্দুস অল্প বয়সে বাবা-মা কে হাড়িয়ে অনেক কষ্টের মাঝে তার জিবন গড়া। আব্দুল কুদ্দুসের মতো তৃণমূল নেতাদের দমানোর চেষ্টা প্রকারান্তরে এলাকার সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করারই নামান্তর। তবে সকল বাধা উপেক্ষা করে তিনি তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবিচল রয়েছেন।