মো. আলমগীর,জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুর পৌরসভার বন্দেরবাড়িতে উঠান বৈঠক করেছে জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে পৌরসভার বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিল প্রার্থী মো. শামীম শেখের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র প্রার্থী জিএস ফিরোজ মিয়া বলেন, আপনারা আমাকে চিনেন। চেনার পরেও আমার পরিচয়টা দেওয়া দরকার। আমি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমি দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার যা বয়স হয়েছে এর তিন ভাগের দুই ভাগই আমি রাজনীতির পিছনে ব্যয় করেছি। বিএনপি’র রাজনীতি করে কোনদিন কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা বা বেইমানি করি নাই। অনেকেই দলের সঙ্গে বেইমানি করেছে স্বার্থের ব্যাঘাত ঘটলেই। বিগত দিনে বিএনপি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছিল আমি সঠিকভাবে তা পালন করার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও বলেন, এই বন্দেরবাড়ি এলাকা আমার খুব প্রিয় একটি এলাকা। এই এলাকায় আমার অনেক আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। আপনারা আমাকে যেভাবে সম্মানীত করেছেন আমি সেই সম্মান টুকু রক্ষা করার চেষ্টা করব যদি আল্লাহ আপনাদের দোয়ার বরকতে এবং ভোটের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচিত করে পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করার তৌফিক দান করেন।
তিনি বলেন, আমার জামালপুর শহরে বাড়ি-গাড়ি নেই। আমি পৌরসভার পাথালিয়া এলাকার সন্তান। অনেকেই জামালপুরের বাহিরে থেকে এসে জমি কিনে বাড়ি-গাড়ি করেছেন। আমি সাদাসিধা ভাবে চলার চেষ্টা করি। কেউ বলতে পারবেনা আমি কারো সাথে ঝগড়া বা উস্কানি মূলক কথা বলে কারো সাথে ঝগড়া বিবাদ করেছি। আমি ১৯৮৭ সাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি ১৯৮৮-৮৯-৯০ সাল থেকে ছাত্র সংসদের রাজনীতি করে সাহিত্য সম্পাদক পদে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিলাম।
ফিরোজ মিয়া বলেন, আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে পৌরসভায় নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আমি খাদেম হিসেবে আপনাদের সেবা করে যাব। আপনারা আমার সম্পর্কে জানেন। আমি কোন চাঁদাবাজি বা দখলবাজির সাথে জড়িত নই। কারো টাকা-পয়সা বা ধন-সম্পদ জোর করে বা মেরে খাওয়া আমার স্বভাব নয়। তার জন্য সবাই মিলে আমাকে ভোট দিয়ে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত করবেন আপনাদের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা। সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শহর বিএনপির সাবেক সদস্য মো. মোতালেব হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডল, এলাকাবাসী
আব্দুল হালিম বাবলু, আশিকুর রহমান আশিক, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজ, আইন কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রমুখ।
উঠান বৈঠকে জেলা বিএনপি, জেলা ও শহর যুবদল এবং জেলা ছাত্রদলসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।