মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ সুজনের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে তিনি লিখেছেন, “আমার মৃত্যু হলে দলীয় কোনো লোক জানাজায় আসবেন না।”
সংক্ষিপ্ত এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এর কারণ জানতে আগ্রহী হন অনেকেই।
পরে এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আবু সাঈদ সুজন বলেন, “আমার বাবা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা মসজিদে অপমানিত হয়েছেন। কিন্তু দল এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি অসুস্থ থাকলেও দলের কেউ আমাকে দেখতে আসেনি। দলের কোনো নেতাকর্মীর অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমাকে উল্টো বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া হয়। এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পেও আমাকে ডাকা হয় না। এমনকি আমি যখন মৃত্যুশয্যায় ছিলাম, তখনও দলের কেউ খোঁজ নিতে আসেনি। এসব কারণেই আমি বলেছি, আমার মৃত্যুর পর যেন দলের কোনো ব্যক্তি আমার জানাজায় না আসেন।”
অন্যদিকে, এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান বলেন, “আবু সাঈদ সুজনের কিছু মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে আমার মনে হয়। তিনি ১ নম্বর চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী। অভিমান কিংবা দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যেই তিনি হয়তো এ ধরনের পোস্ট করেছেন।”
এদিকে, সুজনের পোস্ট এবং পরবর্তী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিষয়টিকে দলীয় অবহেলার অভিযোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে ব্যক্তিগত অভিমান বা রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।
তবে বিষয়টি নিয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত বা লিখিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিঃ দ্রঃ তার আইডি থেকে পোস্ট টি সরিয়ে নিয়েছেন।